জনপথ ডেস্ক : পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও কাউখালী ডিগ্রি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অলোক কুমার কর্মকারকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনের পাশাপাশি দণ্ডবিধির কয়েকটি ধারায় মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের উজিয়ালখান মদন মোহন জিউর আখড়াবাড়ির গেটের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক অলোক কুমার কর্মকার (৫৫) উপজেলার আমরাজুড়ী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাজান এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত চিত্তরঞ্জন কর্মকারের ছেলে। তিনি কাউখালী ডিগ্রি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ এবং উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক/সভাপতি হিসেবে দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
পুলিশ জানায়, কাউখালী থানার এসআই মো. মহিউদ্দিন শেখ ও এএসআই মো. খায়রুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে আটক করে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও নাশকতা ঠেকাতে এলাকায় পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, অলোক কুমার কর্মকার গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কাউখালী থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৩ অক্টোবর ২০২৪ তারিখের একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনের ৩, ৪ ও ৬ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৯, ৪৪৮, ৪২৭ ও ৩৮০ ধারায় অভিযোগ রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভোরে তাকে পিরোজপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নাশকতা, সহিংসতা বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও মামলার বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউখালীতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেওয়া হবে না।















